Monday, May 24, 2021

Current transformer (CT) can cause serious damage

In normal operation, the secondary winding of the CT must remain closed through a burden circuit, or short circuit. The leads of the secondary winding may only be opened during an inter-turn over voltage test. The test current at system frequency in the primary winding must be no more than the rated current, and the peak induced voltage between the leads of the secondary winding must be no more than 4.5 kV for 60 sec. The voltage may be measured and recorded by a high impedance measurement device connected to the leads of the secondary winding.

In the event of the CT’s secondary winding circuit being opened, due to a protection relay failure or any other reason, a no-load condition exists on the secondary winding circuit. As a result, the CT behaves like a current generator connected to a high impedance load, or open circuit. Consequently, the CT behaves like an ignition coil, producing extremely high voltages. This is a hazard that, in rare circumstances, has resulted in fatalities.

Partial discharge is most likely to occur in the oil insulation between the secondary winding leads, between these leads and the tank, and in one of the bushings between the turns on the winding. The level of partial discharge is dependent on the amplitude of the induced voltage.

পদার্থ বিজ্ঞানের সুপরিচিত সমীকরণ E=mc2 এর চিঠি ও তাৱ অবতাৱনা

E=mc2

 

পদার্থ বিজ্ঞানের সুপরিচিত সমীকরণ E=mc2 এর চিঠি ও তাৱ অবতাৱনা :


পদার্থ বিজ্ঞানের সুপরিচিত সমীকরণ E=mc2  



পদার্থ বিজ্ঞানের সুপরিচিত সমীকরণ E=mc2 এর উল্লেখ থাকা ওই চিঠিটি অজ্ঞাত এক নথি সংগ্রাহক কিনে নিয়েছেন।

নিলাম আয়োজকদের প্রত্যাশার চেয়েও তিনগুণ বেশি দামে চিঠিটি বিক্রি হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি।

এর বাইরে আর তিনটি নথিতে আইনস্টাইনের হাতে লেখা E=mc2 পাওয়া গেছে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্বটি হলো:- স্থান,কাল ও জড় বা ভর ধ্রুবক বা পরম কিছু নয় এগুলো আপেক্ষিক।আইনস্টাইনের এই তত্ত্বকে বলা হয় আপেক্ষিক তত্ত্ব।

আইনস্টাইনের বিখ্যাত E=mc^2 এই সূত্র দ্বারা প্রধানত শক্তি ও ভর সমতুল্য সেটা বোঝায়।এই সূত্র অনুসারে m ভরের কোন বস্তুতে সঞ্চিত শক্তির পরিমাণ ঐ ভরের সাথে আলোর বেগ(c)এর বর্গের গুনফল এর সমান।অর্থাৎ ১ কেজি ভরের কোন বস্তুতে সঞ্চিত শক্তির পরিমাণ ৯০০০০০০০০০০০০০০০০ জুল।

E=mc^2 সমীকরণটি শক্তির সাথে ভরের একটি চমৎকার সম্পর্ক নির্দেশ করে। এটি থেকে বোঝা যায় যে, শক্তি এবং ভর আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।ভর থেকে শক্তি পাওয়া যায় এবং শক্তি থেকেও ভর পাওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ শক্তি এবং ভর পরস্পর সমতুল্য।

E = mc2

Einstein's Big Idea homepage. E = mc2. It's the world's most famous equation, but what does it really mean? "Energy equals mass times the speed of light squared." On the most basic level, the equation says that energy and mass (matter) are interchangeable; they are different forms of the same thing.

Wednesday, May 19, 2021

আকাশে মেঘ ও বিদ্যুৎ চমকাতে দেখলে করণীয়

আকাশে মেঘ ও বিদ্যুৎ চমকাতে দেখলে করণীয়ঃ 

১। আকাশে মেঘ ও বিদ্যুৎ চমকাতে দেখলে আপনি খোলা জায়গায় থাকবেন না।

২। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। তাই আপনার বাবা,চাচা,ভাই সহ সকল প্রতিবেশিদের কে মেঘ ও বিদ্যুৎ চমকাতে দেখলে মাঠ ও খোলা জায়গা হতে চলে আসতে বলতে হবে।  

৩। আপনার ছেলে, মেয়ে কে আকাশে মেঘ দেখলে খেলতে দিবেন না। বিদ্যুৎ চমকাতে দেখলে খোজ নিবেন তারা কোথায় আছে।

৪। বাড়ির জ্বালানা, দরজা খুলে দাঁড়িয়ে থাকবেন না।

৫। যদি আপনি নিরাপদ জায়গায় না যেতে পারেন তবে কোন উচু জায়গায় বা গাছের নিচে আশ্রয় নিবেন না। খোলা জায়গায় মাঠিতে বসে পড়বেন।

৬। ভুলেও মাটিতে শুয়ে পড়বেন না। অনেক লোক এক জায়গায় থাকবেন না। সবাই দূরে দূরে থাকবেন।

৬। আপনার বাসার টিভি, ফ্রিজ এর সুইচ অফ সহ প্লাগ  খুলে রাখবেন।


আপনি নিজে সর্তক থাকুন এবং অন্যকেও সর্তক করুন।

আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুন।

Saturday, May 15, 2021

‘রম্‌জানের ঐ রোজার শেষে’ গানের পেছনের ঘটনা

 ঈদের চাঁদ দেখা গেলেই বেজে ওঠে ‘রম্‌জানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ্‌’ গানটি। এ গান যেন ঈদের খুশিকে দ্বিগুণ করে তোলে। আর রোজা শেষে এই গান যেন ঈদের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে গেছে। গানটি প্রথম গেয়েছিলেন আব্বাসউদ্দীন, লিখেছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এ গানটির পেছনের গল্পটি অসাধারণ। 

কবি কাজী নজরুল ইসলাম তখন শ্যামাসংগীত লিখতেন। শ্যামাসংগীতের জন্য রীতিমতো খ্যাতির শিখরে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। এক রাতে রেকর্ডিং শেষে কাজী নজরুল ইসলাম বাড়ি ফিরছিলেন। পথে তাঁকে থামালেন শিল্পী আব্বাসউদ্দীন। কবির কাছে একটা আবদার ছিল তাঁর। না শোনা পর্যন্ত নজরুলকে যেতে দেবেন না। আব্বাসউদ্দীন কবি নজরুলকে সম্মান করতেন। শ্রদ্ধাভরে তাঁকে কাজী দা বলে ডাকতেন। নজরুল বললেন, ‘বলে ফেলো তোমার আবদার।’ আব্বাসউদ্দীন সুযোগটা পেয়ে গেলেন। বললেন, ‘কাজী দা, একটা কথা আপনাকে অনেক দিন ধরেই বলব বলব ভাবছি। দেখুন, পিয়ারু কাওয়াল, কাল্লু কাওয়ালরা কী সুন্দর উর্দু কাওয়ালি গায়। শুনেছি তাদের গান প্রচুর বিক্রি হয়। বাংলায় ইসলামি গান তো তেমন নেই। বাংলায় ইসলামি গান গাইলে কেমন হয়? আপনি যদি ইসলামি গান লেখেন, তাহলে মুসলমানদের ঘরে ঘরে আপনার জয়গান বাজবে।’ বাজারে তখন শ্যামাসংগীতের জয়জয়কার। যে শিল্পীই শ্যামা সংগীত গাইতেন, তিনিই রীতিমতো বিখ্যাত হয়ে যেতেন। 

মার্কেট ট্রেন্ডের বাইরে গিয়ে বিনিয়োগ করলে ব্যবসায় লালবাতি জ্বলতে পারে। আব্বাসউদ্দীন যতই অনুরোধ করছেন, ততই তিনি বেঁকে বসছেন। আব্বাসউদ্দীনও নাছোড়বান্দা। এত বড় সুরকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি ভগবতী বাবুর পিছু ছাড়ছেন না, অনুরোধ করেই যাচ্ছেন। দীর্ঘ ছয় মাস চলল অনুরোধের আসর।

নজরুল নিজেও শ্যামাসংগীত লিখতেন, সুর করতেন। গানের বাজারের যখন এই অবস্থা, তখন আব্বাসউদ্দীনের এমন আবদারের জবাবে নজরুল কী জবাব দেবেন, বুঝে উঠতে পারেন না। আবার ‘ইসলাম’ শব্দটার সঙ্গে তাঁর অনেক আবেগ মিশে আছে। ছোটবেলায় মক্তবে পড়েছেন, কোরআন শিখেছেন এমনকি তাঁর নিজের নামের সঙ্গেও ‘ইসলাম’। আব্বাসউদ্দীনকে তক্ষুনি সরাসরি ‘হ্যাঁ’ বলা যাচ্ছে না। স্রোতের বিপরীতে সুর মেলানো চাট্টিখানি কথা নয়। আবেগে গা ভাসালে চলবে না। গান রেকর্ড করতে হলে তো বিনিয়োগ করতে হবে, সরঞ্জাম লাগবে। এগুলোর জন্য গ্রামোফোন কোম্পানির রিহার্সেল-ইন-চার্জ ভগবতী বাবুর কাছে যেতে হবে। নজরুল বললেন, ‘আগে দেখো ভগবতী বাবুকে রাজি করাতে পারো কি না।’

আব্বাসউদ্দীন ভাবলেন, যাক, কাজী দার কাছ থেকে সবুজসংকেত পাওয়া গেল। এবার ভগবতী বাবুকে রাজি করানোর পালা। তিনি ভগবতী বাবুকে গিয়ে অনুরোধ করলেন। কিন্তু ভগবতী বাবু ঝুঁকি নিতে রাজি না। মার্কেট ট্রেন্ডের বাইরে গিয়ে বিনিয়োগ করলে ব্যবসায় লালবাতি জ্বলতে পারে। আব্বাসউদ্দীন যতই অনুরোধ করছেন, ততই তিনি বেঁকে বসছেন। আব্বাসউদ্দীনও নাছোড়বান্দা। এত বড় সুরকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি ভগবতী বাবুর পিছু ছাড়ছেন না, অনুরোধ করেই যাচ্ছেন। দীর্ঘ ছয় মাস চলল অনুরোধের আসর।

একদিন ভগবতী বাবুকে ফুরফুরে মেজাজে দেখে আব্বাসউদ্দীন বললেন, একবার এক্সপেরিমেন্ট করে দেখুন না। যদি বিক্রি না হয় তাহলে আর নেবেন না। ভগবতী বাবু আর কত ‘না’ বলবেন। এবার তিনি হেসে বললেন, ‘নাছোড়বান্দা আপনি জনাব। আচ্ছা যান, করা যাবে। গান নিয়ে আসুন।’ শুনে আনন্দে আব্বাসউদ্দীনের চোখে যেন জল এসে গেল। এবার একটা গান বাঁধতে হবে। তিনি গেলেন কবি নজরুলের কাছে। কবি চা আর পান পছন্দ করেন। এক ঠোঙা পান আর চা নিয়ে আব্বাসউদ্দীন নজরুলের ঘরে গেলেন। পান মুখে নজরুল খাতা-কলম হাতে ঘরের দরজা বন্ধ করলেন। বাইরে দাঁড়িয়ে আব্বাসউদ্দীন অপেক্ষার প্রহর গুনতে শুরু করলেন। সময় যেন থমকে দাঁড়িয়েছিল। সময় কাটানোর জন্য আব্বাসউদ্দীন পায়চারি করতে লাগলেন। প্রায় আধঘণ্টা কেটে যায়। বন্ধ দরজা খুলে নজরুল বের হন। পানের পিক ফেলে আব্বাসউদ্দীনের হাতে তিনি একটা কাগজ ধরিয়ে দিলেন। সেই কাগজ তাঁর আধঘণ্টার সাধনা, আব্বাসউদ্দীনের ছয় মাসের পরিশ্রমের ফল। আব্বাসউদ্দীন কাগজটি পড়তে শুরু করলেন—ও মন রম্‌জানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ্‌ / তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন আসমানী তাগিদ ...। আব্বাসউদ্দীনের চোখ পানিতে ছলছল করে উঠল। একটা গানের জন্য কত কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাঁকে। সেই গান এখন তাঁর হাতের মুঠোয়। তিনি কি জানতেন, এই গান একদিন ঘরে ঘরে আনন্দের বার্তা পৌঁছে দেবে, ঈদের চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে টেলিভিশনে বেজে উঠবে!

এ রকম সুযোগ একবারই আসে। আব্বাসউদ্দীন যখন এই চিন্তায় মগ্ন, তখন পাশে বসা এক যুবক গুনগুনিয়ে গাওয়া শুরু করলেন, ‘ও মন রম্‌জানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ্‌।’ আব্বাস ভাবলেন, এই যুবক গানটি কোথায় শুনল? নাকি তিনি ভুল শুনছেন?

দুই মাস পর রোজার ঈদ। গান লেখার চার দিনের মধ্যে রেকর্ডিং হয়ে গেল। আব্বাসউদ্দীন এবারই প্রথম ইসলামি গান রেকর্ড করলেন। গানটি তখনো তাঁর মুখস্থ হয়নি। গানটি চলবে কি না, এই নিয়ে গ্রামোফোন কোম্পানিও ছিল শঙ্কায়। তবে কাজী নজরুল ইসলাম বেশ রোমাঞ্চিত। কীভাবে গাইতে হবে, তিনি সেটা আব্বাসউদ্দীনকে দেখিয়ে দেন। হারমোনিয়ামের ওপর আব্বাসউদ্দীনের চোখ বরাবর কাগজটি ধরে রাখলেন কাজী নজরুল ইসলাম নিজেই। আব্বাসউদ্দীন গানটি গাইলেন। ঈদের সময় এ গানসহ অ্যালবামটি বাজারে এল। তারপর হয়ে গেল ঈদের ছুটি। আব্বাসউদ্দীন বাড়িতে ঈদ কাটাতে গেলেন।

আব্বাসউদ্দীনের মনের ভেতর উচাটন, কখন কলকাতা যাবেন। গানটি থেকে কতটা সাড়া মিলল, সেটা জানার জন্য তিনি অস্থির হয়েছিলেন। ছুটি কাটিয়ে চটজলদি তিনি ফিরলেন কলকাতায়। ঈদের ছুটির পর প্রথমবারের মতো অফিসে যাচ্ছেন। ট্রামে চড়ে অফিসের পথে যত এগোচ্ছেন, বুকটা ততো ধকধক করছিল তাঁর। অফিসে গিয়ে কী দেখবেন? গানটা ফ্লপ হয়েছে? গানটা যদি ফ্লপ হয় তাহলে তো আর কোনো দিন ইসলামি গানের কথা ভগবতী বাবুকে বলতে পারবেন না। ভগবতী বাবু কেন, কোনো কোম্পানি আর ঝুঁকি নেবে না। এ রকম সুযোগ একবারই আসে। আব্বাসউদ্দীন যখন এই চিন্তায় মগ্ন, তখন পাশে বসা এক যুবক গুনগুনিয়ে গাওয়া শুরু করলেন, ‘ও মন রম্‌জানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ্‌।’ আব্বাস ভাবলেন, এই যুবক গানটি কোথায় শুনল? নাকি তিনি ভুল শুনছেন? তিনি যুবককে আবারও গাইতে শুনলেন। এবার তাঁর শরীরের ভেতর এক শীতল বাতাস বয়ে গেল। অফিসে ফিরে বিকেলে যখন গড়ের মাঠে গেলেন, তখন আরেক দৃশ্য দেখে তিনি আবার অবাক হলেন। কয়েকটা ছেলে দল বেঁধে মাঠে বসে আছে। তাদের মধ্যে একজন গাইছে ‘ও মন রম্‌জানের ওই রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ।’ আব্বাসউদ্দীন এ আনন্দ যেন সইতে পারলেন না। ছুটে গেলেন নজরুলের কাছে। গিয়ে দেখেন কবি নজরুল দাবা খেলছেন। দাবা খেলার সময় তিনি আশপাশে তাকান না। সেদিন আব্বাসউদ্দীনের গলার স্বর শোনার সঙ্গে সঙ্গে নজরুল দাবা খেলা ছেড়ে লাফিয়ে উঠে তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন। নজরুল বললেন‚ ‘আব্বাস, তোমার গান কী হিট হয়েছে!’


Biography of Mark Zuckerberg

Biography of Mark Zuckerberg

 Mark Zuckerberg co-founded and CEO of the largest social-networking website Faceboo. He left college after his sophomore year to concentrate on the site, the user base of which has grown to more than two billion people, making Zuckerberg a billionaire many times over. The birth of Facebook was portrayed in the 2010 film The Social Network.

Zuckerberg was born on May 14, 1984, in White Plains, New York, into a comfortable, well-educated family. He was raised in the nearby village of Dobbs Ferry.

Zuckerberg’s father, Edward Zuckerberg, ran a dental practice attached to the family's home. His mother, Karen, worked as a psychiatrist before the birth of the couple's four children — Mark, Randi, Donna and Arielle.

Zuckerberg developed an interest in computers at an early age; when he was about 12, he used Atari BASIC to create a messaging program he named "Zucknet." His father used the program in his dental office, so that the receptionist could inform him of a new patient without yelling across the room. The family also used Zucknet to communicate within the house.

Together with his friends, he also created computer games just for fun. "I had a bunch of friends who were artists," he said. "They'd come over, draw stuff, and I'd build a game out of it."

To keep up with Zuckerberg's burgeoning interest in computers, his parents hired private computer tutor David Newman to come to the house once a week and work with Zuckerberg. Newman later told reporters that it was hard to stay ahead of the prodigy, who began taking graduate courses at nearby Mercy College around this same time.

Zuckerberg later studied at Phillips Exeter Academy, an exclusive preparatory school in New Hampshire. There he showed talent in fencing, becoming the captain of the school's team. He also excelled in literature, earning a diploma in classics.

Yet Zuckerberg remained fascinated by computers and continued to work on developing new programs. While still in high school, he created an early version of the music software Pandora, which he called Synapse.

Several companies—including AOL and Microsoft—expressed an interest in buying the software, and hiring the teenager before graduation. He declined the offers.

After graduating from Exeter in 2002, Zuckerberg enrolled at Harvard University. After his sophomore year, Zuckerberg dropped out of college to devote himself to his new company, Facebook, full time.

By his sophomore year at the Ivy League institution, he had developed a reputation as the go-to software developer on campus. It was at that time that he built a program called Course Match, which helped students choose their classes based on the course selections of other users.

He also invented Face mash, which compared the pictures of two students on campus and allowed users to vote on which one was more attractive. The program became wildly popular, but was later shut down by the school administration after it was deemed inappropriate.

Based on the buzz of his previous projects, three of his fellow students—Divya Narendra, and twins Cameron and Tyler Winklevoss—sought him out to work on an idea for a social networking site they called Harvard Connection. This site was designed to use information from Harvard's student networks in order to create a dating site for the Harvard elite.

Zuckerberg agreed to help with the project, but soon dropped out to work on his own social networking site, The Facebook.

Zuckerberg and his friends Dustin Moskovitz, Chris Hughes and Eduardo Saverin created The Facebook, a site that allowed users to create their own profiles, upload photos, and communicate with other users. The group ran the site out of a dorm room at Harvard University until June 2004.

That year Zuckerberg dropped out of college and moved the company to Palo Alto, California. By the end of 2004, Facebook had 1 million users.

In 2005, Zuckerberg's enterprise received a huge boost from the venture capital firm Accel Partners. Accel invested $12.7 million into the network, which at the time was open only to Ivy League students.

Zuckerberg's company then granted access to other colleges, high school and international schools, pushing the site's membership to more than 5.5 million users by December 2005. The site began attracting the interest of other companies that wanted to advertise with the popular social hub.

Not wanting to sell out, Zuckerberg turned down offers from companies such as Yahoo! and MTV Networks. Instead, he focused on expanding the site, opening up his project to outside developers and adding more features.

Zuckerberg seemed to be going nowhere but up. However, in 2006, the business mogul faced his first big hurdle: the creators of Harvard Connection claimed that Zuckerberg stole their idea, and insisted the software developer needed to pay for their business losses.

Zuckerberg maintained that the ideas were based on two very different types of social networks. After lawyers searched Zuckerberg records, incriminating instant messages revealed that Zuckerberg may have intentionally stolen the intellectual property of Harvard Connection and offered Facebook users' private information to his friends.

Thursday, May 13, 2021

মসজিদুল আকসাৱ গুরুত্ব

মসজিদুল আকসাৱ গুরুত্ব

কেনো মুসলমানদের নিকট মসজিদুল আকসা এতোটা গুরুত্বপূর্ণ?

যেখানে ইহুদিরা সমগ্র ফিলিস্তিনই দখল করে নিয়েছে, সেখানে মাত্র ১৪ একর জায়গার জন্য কেনো এতো অত্যাচার নির্যাতনের পরেও  ফিলিস্তিনের মুসলমানরা বারবার মসজিদের দিকে ধাবিত হচ্ছে!

১. এখানেই রয়েছে হযরত ইব্রাহিম এবং মূসা (আ) সহ অসংখ্য নবী রাসুলের কবর। 

২. এখানেই আল্লাহর বন্ধু প্রিয় নবী রাসুল ছাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া ছাল্লাম সকল নবী রাসুলদের এবং ফেরেস্তাদেরকে নিয়ে নামাজ পড়ছিলেন। সেই জামাতের ইমাম ছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ ছাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া ছাল্লাম, এবং এই জামাতে মতান্তরে প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার নবী রাসুল ছিলেন। 

৩. এখান থেকেই হজরত মুহাম্মদ ছাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া ছাল্লাম বোরাকে করে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিলেন। 

৪. এই মসজিদের নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে হজরত আদম আঃ এবং সুলাইমান আঃ এর নাম। 

৫. এর সাথে জড়িয়ে আছে খলিফা হজরত উমর (রা) এর সেই বিখ্যাত উটের বিরল ঘটনা। 

৬. এখানের সাথেই জড়িয়ে আছে দ্যা গ্রেট সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবীর অসংখ্য স্মৃতি। 

৭. এই মসজিদের পাথরের গায়ে লেখা রয়েছে সম্পূর্ণ সূরা ইয়াসিন। 

৮. এই মসজিদের জন্য জ্বীনদের দ্বারা পাথর উত্তোলন করা হয়েছে সাগরের তলদেশ থেকে। যা কিনা কোন মানুষের পক্ষে অসম্ভব!

৯. এই মসজিদে ২ রাকাআ'ত নামাজ আদায় করার জন্য ২৫ হাজার রাকাআ'ত নামাজের সওয়াব লিখা হবে। 

১০. পবিত্র কোরআনে সবচেয়ে বেশি মহান আল্লাহ এই মসজিদ নিয়ে আলোচনা করছেন। 

তোমাদের কেউ যদি কোনো খারাপ কাজ বা বিষয় দেখে তাহলে সে যেন হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে দেয়, যদি তা করতে অপারগ হয় তাহলে যেন মুখ দিয়ে তার প্রতিবাদ করে, যদি তাও করতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে, আর এটাই হচ্ছে ঈমানের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বলতম স্তর। (বুখারি, হাদিস নং: ১৯৪)

Wednesday, May 12, 2021

আমাৱ ছোট বেলাৱ ঈদ

আমাৱ ছোট বেলাৱ ঈদ

বুকে প্রচন্ড ভালোবাসা নিয়েও মুখে প্রকাশ করতে না পারার স্বভাব আমি আমার বাবার কাছ থেকেই পাওয়া। হৃদয়ভর্তি ভালোবাসা থাকা সত্তেও কখনো বাবার গলা জড়িয়ে বলা হয়নি "বাবা তোমায় অনেক ভালোবাসি "।

বাবা অনেক কষ্ট করেছেন আমাদের জন্য। আমাদের  হাসি খুশি রাখার জন্য সবসময় চেষ্টা করেছেন  আজীবন। কিন্তু সেই তিনি যখন অসুস্থ ও নিঃসঙ্গ হয়ে  বছরের পর বছর বিছানায় কাটিয়ে দিয়েছেন। তখন আমি আমার বাবার সাথে একটু গল্প করার সময়ও ঐভাবে দিতে পারিনি শুধু ব্যাস্ততা ও নিজ পরিবারের  জন্য। দুরে থাকলেও কখনো বাবার প্রতি আমার দায়িত্ব, কর্তব্যে আমি অবহেলা করিনি।গল্প  জমা করতাম, তার সাথে করবো বলে। কিন্তু  সময় টা খুবই কম হতো।আসার সময় বারবার বাবা কান্না করতো,আর বলতো বাবা আবার কবে আসবে? উত্তরে আমি বলতাম,বাবা সময় পেলেই  আমি ছুটে  আসবো।

গতকাল ইফতারের পর যখন আমার মেয়েরা ঈদের  চাঁদ  উঠেছে কিনা সেটা দেখার জন্য  অস্থির ঠিক  তখনি আমার মোবাইলে কল আসলো।বাবা লেখা সেই  নাম্বার থেকে ফোন আসে।আমি এক মুহূর্তের জন্য  ভাবতে  থাকলাম এই বুঝি বাবা জানতে চাইলো , বাবা তোমার কিছু লাগবে? যদিও ফোনের  অপর প্রান্ত থেকে আর কোনদিন বাবার কন্ঠ  শোনা যাবে না। তবুও  হঠাৎ করেই মনের অজান্তে বলে উঠলাম ,বাবা !

কিন্তু বাবার সাথে আর গল্প বা কথা বলা হলোনা। 

আমার এমন অবস্থা দেখে মা নিরবতা ভেঙে বললেন-কেমন আছিস বাবা? এদিকে  প্রত্যেকটি শব্দ  উচ্চারণ করতে গিয়ে , চোখ ফেটে আমার পানি গড়িয়ে পড়ছিল। আমার স্মৃতিতে ভেসে উঠেছিল একের পর এক ছোটোবেলার ঈদের স্মৃতি ! 

প্রত্যেক দশ রমজান থেকে শুরু করে একদম ঈদের  আগপর্যন্ত ,বাবা ঘরে ফিরলেই উনার হাতের দিকে গোপন আর লোভাতুর দৃষ্টিতে তাকাতাম ৷

কবে আসবে আমার নতুন জামা,জুতো, মেহেদী  ইত্যাদি। ভুলবশত কোন কিছু  বাদ পড়লে বাবার মাথা খারাপ  করে ফেলা আর রাতভর কান্না, মান অভিমান।

আমি এখনো প্রত্যাশা করি,কল্পনায় আমার ছেলে  বেলাকে বার বার সাজাই।এই বুঝি আমার ঈদের  নতুন  যাবতীয় জিনিস নিয়ে বাবা হাজির হবেন ! আর বাবা ঈদের  নামাজ শেষ করে আসলে, আমি আর বাবা হাতে হাত রেখে আমাদের ছোট্ট বাজারটাতে ঘুরে বেড়াবো।বাবা আমার পছন্দের সবকিছু কিনে দিবেন। যেমন টি আমি পছন্দ  করি ছোট ছোট চকলেট, বাদামভাজা,বুট ভাজা,আংগুলি,খাজা আর রং বেরঙের  আইসক্রিম। বারবার এই বাবা সমেত ছোট্টবেলার ঈদটা ভাবতে ভালোই লাগে। যদিও আর কোন দিন তা ফিরে পাবোনা।

 আমার বাবা পরপারে ভালো থাকুক। প্রতিবার প্রার্থনায় আল্লাহকে বলি তিনি আমার বাবার দুনিয়াবী ভুল-ভ্রান্তি মার্জনা করে যেন উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন। 


নিৱাপদ ৱাখুন আপনাৱ ফেসবুক

নিৱাপদ ৱাখুন আপনাৱ ফেসবুক

প্রথমেই যেকোনও ব্রাউজার ব্যবহার করে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করুন। আপনার ফেসবুক পেজ বা টাইমলাইনে প্রবেশের পর মাউসে রাইট ক্লিক করতে হবে। এবার ‘ভিউ পেজ সোর্স’ নামের একটি অপশন আসবে, সেখানে ক্লিক করুন।

‘ভিউ পেজ সোর্স’ অপশনে ক্লিক করার পর নতুন একটি পেজ ওপেন হবে। নতুন পেজ ওপেন হওয়ার পর কন্ট্রোল+এফ (CTRL+F) বাটনে চাপ দিন। এ পর্যায়ে একটি সার্চ বক্স আসবে। বক্সে ‘BUDDY_ID’ টাইপ করে ‘এন্টার’ বাটনে চাপ দিতে হবে। সবশেষে নতুন একটি পেজ আসবে যেখানে ‘BUDDY_ID’ লেখাটির পেছনে বেশকিছু ১৫ ডিজিটের প্রোফাইল আইডি থাকবে।

মূলত ১৫ ডিজিটের এ আইডিগুলোই গোপনে আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে ঘোরে বা নজরদারি চালায়। নজরদারি চালানো অ্যাকাউন্টগুলো সম্পূর্ণভাবে সামনে নিয়ে আসতে ‘facebook.com/’ টাইপের পর ১৫ ডিজিটের প্রতিটি আইডি বসিয়ে (উদাহরণ- Facebook.com/15-digit ID) এন্টার বাটন চাপলেই তার প্রোফাইল আপনার সামনে চলে আসবে।

 

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন

 বোমা গুলো হয়তো কোনো সৈনিক  ছুড়ছে, তবে আমার কাছে মনে হয় এইগুলো আল্লাহর কুদরতি রহমত।

অভিনন্দন হে হামাসের প্রধান মুসলিম বীর! ইসমাইল হানিয়া ৷

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল যদি পবিত্র জেরুজালেম আল-কুদস শহর এবং মুসলমানদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদে হামলা বন্ধ না করে তাহলে হামাসের যোদ্ধারা ইসরাইলকে লক্ষ্য করে রকেট হামলা অব্যাহত রাখবে।

গাযার বহুতল হানাদি টাওয়ার ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস করে দেয়ার পর এসব রকেট হামলা চালানো হয়। ওই ভবনটিতে হামাসের একটি কার্যালয় ছিল, যা তাদের রাজনৈতিক নেতারা ব্যবহার করতেন।

Tuesday, May 11, 2021

মুসলিম জাহানের খলিফা হযরত উমর (রাঃ) এর ঈদ

মুসলিম জাহানের খলিফা হযরত উমর (রাঃ) এর ঈদ

ঈদের আগের দিন খলিফা হযৱত উমর (রা) এৱ স্ত্রী নিজ স্বামীকে বললেন, ‘আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড় না হলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি ঈদের নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে’।


আরব জাহানের শাসক খলিফা হযৱত উমর (রা) বললেন, ‘আমার তো নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই’।


পরে খলিফা হযৱত উমর (রা) তার অর্থমন্ত্রী আবু উবাইদা (রা) কে এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন।


সমগ্র মুসলিম জাহানের খলিফা যিনি, যিনি সেই সময় প্রায় অর্ধেক পৃথিবী শাসন করছেন, তাঁর এ ধরণের চিঠি পেয়ে আবু উবাইদা (রা) এৱ চোখে পানি এসে গেল। উম্মতে আমীন আবু উবাইদা (রা) বাহককে টাকা না দিয়ে চিঠির উত্তরে লিখলেন, ‘আমীরুল মুমিনীন! অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দুটি বিষয়ে আপনাকে ফয়সালা দিতে হবে।


প্রথমত, আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি না?


দ্বিতীয়ত, বেঁচে থাকলেও দেশের জনসাধারণ আপনাকে সেই মেয়াদ পর্যন্ত খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কিনা?’


চিঠি পাঠ করে খলিফা উমর (রা) কোন প্রতি উত্তর তো করলেনই না, বরং এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেলো। আর হাত তুলে আবু উবাইদার (রা) জন্য দোয়া করলেন- একজন যোগ্য অর্থমন্ত্রী নির্বাচিত করতে পেরেছেন ভেবে।

Monday, May 10, 2021

বাংলাদেশের ব্যাংকনোটে করোনা

বাংলাদেশের ব্যাংকনোটে করোনা

 বাংলাদেশের ব্যাংকনোটে করোনা ভাইরাসের আরএনএর উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) একদল গবেষক।

         সোমবার (১০ মে) যবিপ্রবির প্রশাসনকি ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জিনোম সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান। গবেষণাপত্রের সূত্র ধরে অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের গবেষক দল দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত ব্যাংকনোটে করোনা ভাইরাসের আরএনএর উপস্থিতি পেয়েছেন।

  তিনি আরও বলেন, গবেষক দল ব্যাংকনোটে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত ভাইরাসের এন-জিনের উপস্থিতি এবং ৮-১০ ঘণ্টা পর্যন্ত ওআরএফ জিনের স্থায়িত্ব শনাক্ত করতে পেরেছেন।

Multiple opportunities to monetize your skills and time.

E arn Money Online Every Day! Multiple opportunities to monetize your skills and time. _Popular Ways to Earn Money Online:_ 1. _Freelanci...